বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
গফরগাঁওয়ে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আনসারুল ইসলামের নেতৃত্বে বিশাল মিছিল আশুলিয়ায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, ডিলার মোমেনা খাতুনকে ঘিরে বিতর্ক . ট্রাফিক চেকপোস্টে অর্থ দাবির অভিযোগ থেকে প্রেসকার্ডের ছবি, নিরপেক্ষ তদন্ত চান ভুক্তভোগীরা শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশবাসীকে হিন্দু মহাজোট নেতা খগের চন্দ্র রাজবংশীর শুভেচ্ছা শারদীয় দুর্গাপূজায় হিন্দু সম্প্রদায়কে মোফাজ্জল হোসেন টিপুর শুভেচ্ছা ধামরাইয়ের রোয়াইল ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসনিক কর্মকর্তার অনুপস্থিতির অভিযোগ, ডিজিটাল তথ্যকেন্দ্রের উদ্যোক্তার হাতে দাপ্তরিক কার্যক্রম! ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: আশুলিয়ায় বিএনপির কর্মীসভা ও মিজানুর রহমানের জন্য দোয়া প্রার্থনা মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক বাহাউদ্দিনের অপসারণ দাবি নজরুল বর্ষে মানিকগঞ্জ জেলা পর্যায়ে চিত্রাঙ্কনে প্রথম দৌলতপুরের সাংবাদিক পুত্র অহিদুর রহমান জনসম্পৃক্ততায় পাথালিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
নোটিশঃ
সারাদেশে সাংবাদিক/সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে..... জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, বিশেষ প্রতিনিধি, স্টাফ রিপোর্টার, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, সিনিয়র রিপোর্টার, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি, জেলা ব্যুরো প্রধান।
অভিযানে বৈষম্যের অভিযোগ, সরকারি রাজস্ব হারানোর আশঙ্কা সাভার হাইওয়ে থানা ঘিরে প্রশ্ন
/ ১৪১ বার
আপডেট টাইমঃ বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৫১ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কসহ সাভার হাইওয়ে থানার আওতাধীন এলাকায় অবৈধ ও আইনবহির্ভূত যানবাহনের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও রিকশার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা ও আটক অভিযান পরিচালনা করা হলেও ফিটনেসবিহীন বাস, লেগুনা, মিনিবাস, পিকআপ, ব্যাকফুডসহ বিভিন্ন ধরনের অনিয়মকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে একই মাত্রায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী নিবন্ধন, ফিটনেস সনদ ও রুট পারমিট সংক্রান্ত বিধান না মেনে মোটরযান পরিচালনার ক্ষেত্রে শাস্তির বিধান রয়েছে। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যানবাহন আটকসহ আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারে। ফলে প্রশ্ন উঠছে—আইন লঙ্ঘনকারী সব ধরনের যানবাহনের বিরুদ্ধে কি সমানভাবে আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে?
স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কে চলাচলকারী কিছু বাস, লেগুনা, মিনিবাস ও অন্যান্য যানবাহনের ফিটনেস, রুট পারমিট কিংবা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও সেগুলোর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা বা আটক অভিযান সবসময় দৃশ্যমান নয়। অন্যদিকে অটোরিকশা ও রিকশার বিরুদ্ধে তুলনামূলকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এতে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—অভিযানে কি যানবাহনভেদে ভিন্ন নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে?
আরও গুরুতর অভিযোগ, কিছু যানবাহনকে আইনগত ব্যবস্থা থেকে ছাড় দেওয়ার বিনিময়ে কথিত ‘মাসিক মাসোহারা’ বা নিয়মিত আর্থিক সুবিধা নেওয়া হয়। তবে এ অভিযোগের সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে প্রমাণিত হয়নি। তাই অভিযোগটি সত্য কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্ত ও সরকারি নথিপত্র যাচাইয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
অভিযোগ সত্য হলে বিষয়টি শুধু আইন প্রয়োগের বৈষম্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; এর সঙ্গে সরকারি রাজস্ব ক্ষতির বিষয়টিও জড়িত হতে পারে। কারণ আইন অনুযায়ী অপরাধের ক্ষেত্রে মামলা ও জরিমানা আদায়ের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও কোনো যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে সরকার সম্ভাব্য রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হতে পারে।
এ কারণে গত এক বছরে সাভার হাইওয়ে থানায় অটোরিকশা, রিকশা, বাস, লেগুনা, মিনিবাস, ট্রাক, পিকআপ ও অন্যান্য যানবাহনের বিরুদ্ধে কতটি মামলা হয়েছে, কতটি যানবাহন আটক করা হয়েছে এবং মামলা-জরিমানা বাবদ কত টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে—এসব তথ্য প্রকাশের দাবি উঠেছে।
একই সঙ্গে ফিটনেসবিহীন ও রুট পারমিটবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে কতটি মামলা হয়েছে এবং কতটি যানবাহন মামলা ছাড়া ছেড়ে দেওয়া হয়েছে—সেই তথ্যও যাচাই করা প্রয়োজন। মামলা ছাড়া কোনো যানবাহন ছেড়ে দেওয়া হয়ে থাকলে কোন কর্মকর্তা বা সদস্যের নির্দেশে এবং কী কারণে তা করা হয়েছে, সেটিও তদন্তের আওতায় আনার দাবি রয়েছে।
সচেতন মহলের মতে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অভিযান হতে হবে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও বৈষম্যহীন। কোনো যানবাহন আইন লঙ্ঘন করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া এবং বৈধ যানবাহনকে হয়রানি না করাই হওয়া উচিত আইন প্রয়োগের মূলনীতি।
সাভার হাইওয়ে থানার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে মামলা রেজিস্টার, আটক তালিকা, জরিমানার রেকর্ড, সরকারি রাজস্ব জমার তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট যানবাহনের ফিটনেস ও রুট পারমিটের তথ্য পর্যালোচনা করে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগ সত্য হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও বিভাগীয় ব্যবস্থা এবং অভিযোগের সত্যতা না মিললে প্রকৃত তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশ করার দাবি উঠেছে। এতে একদিকে সরকারের রাজস্ব সুরক্ষিত হবে, অন্যদিকে হাইওয়ে পুলিশের কার্যক্রম নিয়ে মানুষের মধ্যে আস্থাও বৃদ্ধি পাবে।

👁️ লাইভ টেক্সট প্রিভিউ
লাইন ১ প্রিভিউ
লাইন ২ প্রিভিউ
কার্ড ব্যাকগ্রাউন্ড
১ম লাইন কালার
২য় লাইন কালার
ফন্ট সাইজ অ্যাডজাস্ট করুন: 52px

⏳ জাদুকরী উপায়ে কার্ডটি ফুল এইচডিতে রেন্ডার হচ্ছে, একটু অপেক্ষা করুন...

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও সংবাদ
ফেসবুকে আমরা