বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ঐতিহ্যবাহী চরকাটারী সবুজ সেনা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত মুহাম্মদ বাবুল আক্তার। দৌলতপুরে চর মাস্তুল মুন্সি বন্দে আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত ম্যানেজিং কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে রতনের নিয়ন্ত্রণে হলমার্কে সীসা কারখানা? রাতভর পোড়ানো হয় ব্যাটারি পঞ্চগড়ের বোদায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে ছাত্রদল-শিক্ষার্থীদের মশক নিধন ৮ নং ধামসার ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত করার ঘোষণা চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট কামরুল হাসানের পঞ্চগড়ে মেধাবীদের সংবর্ধনা, শিক্ষায় এগিয়ে যাওয়ার বার্তা ৩১ নিয়োগে ২০ জনের সুপারিশ কার? গাড়িচালক মোহাব্বতকে ঘিরে লাখ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগ পঞ্চগড়ে জিপিএ-৫সহ মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, হাতে ক্রেস্ট-বই ও গাছের চারা দৌলতপুরের ধামশ্বর ইউনিয়নে গণপ্রজাতন্ত্রী সরকারের ৭ মাসের উন্নয়ন মূলক কাজ ও মাদকবিরোধী মতবিনিময় সভা পঞ্চগড়ে ১০ টাকার সিমে ফিঙ্গারপ্রিন্ট! গ্রাহকের অজান্তে নগদ অ্যাকাউন্ট খোলার অভিযোগ, আটক ৩
নোটিশঃ
সারাদেশে সাংবাদিক/সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে..... জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, বিশেষ প্রতিনিধি, স্টাফ রিপোর্টার, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, সিনিয়র রিপোর্টার, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি, জেলা ব্যুরো প্রধান।
মায়ের মুক্তির আবেদন জানাতে ইউএনও কার্যালয়ে আট বছরের জেরিন, সঙ্গে ছিল ছোট্ট প্ল্যাকার্ড
/ ৬৮ বার
আপডেট টাইমঃ সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ৪:৩০ পূর্বাহ্ন

 

 

ছাইম খান গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:

 

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় এক হৃদয়স্পর্শী দৃশ্যের জন্ম দিয়েছে আট বছরের শিশু জেরিন। গলায় একটি প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে সে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে হাজির হয়। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল— “আমার মা ও ছোট ভাইকে জেল থেকে মুক্তি দিন।” তার একমাত্র প্রত্যাশা, মা ও কারাগারে থাকা ছোট ভাই যেন দ্রুত পরিবারের কাছে ফিরে আসতে পারে।

 

রোববার সকালে ইউএনও কার্যালয়ে গিয়ে জেরিন দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করলেও ওই সময়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরকারি কাজে জেলা সদরে অবস্থান করায় তার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ হয়নি।

 

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২০ মে জেরিনকে নির্যাতনের অভিযোগে তার সৎ মা আকলিমাকে গ্রেপ্তার করে কোটালীপাড়া থানা-পুলিশ। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। মায়ের সঙ্গে বর্তমানে সাত মাস বয়সী দুগ্ধপোষ্য শিশুপুত্রও কারাগারে রয়েছে। এ ঘটনার পর থেকেই পরিবারটি নানা সংকটের মুখোমুখি হয়েছে।

 

মায়ের অনুপস্থিতিতে নিজের কষ্টের কথা জানিয়ে জেরিন বলে, মা ও ছোট ভাইকে ছাড়া তাদের সংসার যেন অসম্পূর্ণ হয়ে গেছে। তার বিশ্বাস, মা নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন এবং তিনি চান পরিবারের সবাই আবার একসঙ্গে বসবাস করুক।

 

জেরিনের বাবা মুন্না মোল্লার দাবি, স্ত্রী কারাগারে যাওয়ার পর সংসারের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে। ছোট ছেলে মায়ের সঙ্গে কারাগারে থাকলেও বাড়িতে থাকা তিন কন্যাশিশু মাতৃস্নেহ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি জানান, আইনের প্রতি তাদের পূর্ণ সম্মান রয়েছে। তবে মানবিক দিক বিবেচনা করে আদালত জামিন দিলে পরিবারটি স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে বলে আশা করছেন।

 

এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা শাহানাজ বেগম বলেন, জেরিনকে প্রায়ই মায়ের জন্য কান্না করতে দেখা যায়। শিশুটির অসহায় আবেদন অনেককেই আবেগাপ্লুত করছে। তার মতে, আইনি প্রক্রিয়া চললেও শিশুদের কল্যাণের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাওয়া উচিত।

 

কোটালীপাড়া সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মনিরুজ্জামান শেখ জুয়েল বলেন, যেহেতু বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন, তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতেরই। তবে কারাগারে থাকা দুগ্ধপোষ্য শিশু এবং মাকে ছাড়া বেড়ে ওঠা তিন কন্যাশিশুর ভবিষ্যৎ বিবেচনায় মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে শিশুদের সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন।

 

একদিকে বিচারিক প্রক্রিয়া, অন্যদিকে মায়ের সান্নিধ্য ফিরে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষায় একটি শিশুর আবেদন— এই দুই বাস্তবতার মধ্যেই জেরিনের ছোট্ট প্ল্যাকার্ড সমাজ ও রাষ্ট্রের কাছে একটি বড় প্রশ্ন রেখে যায়: বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিশুদের অধিকার ও কল্যাণ রক্ষায় আমাদের দায়িত্ব কী হওয়া উচিত?

 

👁️ লাইভ টেক্সট প্রিভিউ
লাইন ১ প্রিভিউ
লাইন ২ প্রিভিউ
কার্ড ব্যাকগ্রাউন্ড
১ম লাইন কালার
২য় লাইন কালার
ফন্ট সাইজ অ্যাডজাস্ট করুন: 52px

⏳ জাদুকরী উপায়ে কার্ডটি ফুল এইচডিতে রেন্ডার হচ্ছে, একটু অপেক্ষা করুন...

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও সংবাদ
ফেসবুকে আমরা