বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দৌলতপুরে চর মাস্তুল মুন্সি বন্দে আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত ম্যানেজিং কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে রতনের নিয়ন্ত্রণে হলমার্কে সীসা কারখানা? রাতভর পোড়ানো হয় ব্যাটারি পঞ্চগড়ের বোদায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে ছাত্রদল-শিক্ষার্থীদের মশক নিধন ৮ নং ধামসার ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত করার ঘোষণা চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট কামরুল হাসানের পঞ্চগড়ে মেধাবীদের সংবর্ধনা, শিক্ষায় এগিয়ে যাওয়ার বার্তা ৩১ নিয়োগে ২০ জনের সুপারিশ কার? গাড়িচালক মোহাব্বতকে ঘিরে লাখ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগ পঞ্চগড়ে জিপিএ-৫সহ মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, হাতে ক্রেস্ট-বই ও গাছের চারা দৌলতপুরের ধামশ্বর ইউনিয়নে গণপ্রজাতন্ত্রী সরকারের ৭ মাসের উন্নয়ন মূলক কাজ ও মাদকবিরোধী মতবিনিময় সভা পঞ্চগড়ে ১০ টাকার সিমে ফিঙ্গারপ্রিন্ট! গ্রাহকের অজান্তে নগদ অ্যাকাউন্ট খোলার অভিযোগ, আটক ৩ জিয়নপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার পদে প্রার্থিতা ঘোষণা ইউনুছ আলীর
নোটিশঃ
সারাদেশে সাংবাদিক/সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে..... জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, বিশেষ প্রতিনিধি, স্টাফ রিপোর্টার, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, সিনিয়র রিপোর্টার, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি, জেলা ব্যুরো প্রধান।
মানিকগঞ্জে বালু মহালের রমরমা লাইসেন্স বাণিজ্য মো:আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে
Avatar photo
আপডেট টাইমঃ মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫, ১১:১৩ পূর্বাহ্ন

নান্নু মিয়া,স্টাফ রির্পোটারঃ

‎মানিকগঞ্জে বালু মহাল ইজারার লাইসেন্স বাবদ সরকারি ফি ৫ হাজার টাকার পরিবর্তে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এস এ শাখার সায়েরাত সহকারী মো:আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

‎অনুসন্ধানে জানা যায়,আরিফের মাধ্যমে লাইসেন্স নিতে হলে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে হয় এবং সরকারি ফি এর বাহিরে ডিসি অফিসের এল আর ফান্ডেও টাকা প্রদান করতে হয়। কেউ অস্বীকৃতি  জানালে তার লাইসেন্স ঝুলে থাকে,তা কখনো আলোর মুখ দেখে না। টাকা দিলে ৩ দিনেও লাইসেন্স মেলে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে। বালু মহাল ইজারার লাইসেন্স এর সরকারি ফি সব মিলিয়ে ৫ হাজার ৫০০ টাকা।তবে লাইসেন্সের আলোর মুখ দেখতে হলে  ৫ হাজারের পরিবর্তে গুনতে হয় ১ লক্ষ থেকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত ফি।

‎বালুমহালের লাইসেন্স প্রাপ্ত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানায়, ডিসি অফিসের আরিফের মাধ্যমে দেড় লাখ টাকা দিয়ে লাইসেন্স করেছি।টাইম ছিলো না, বৃহস্পতিবার টাকা জমা দিয়েছি রবিবারই লাইসেন্স করে দিয়েছে।আমি নিজে গুনে আরিফের কাছে টাকা দিছি।আরিফের না করার মত ক্ষমতা নাই। এখান থেকে এল আর ফান্ডে গিয়েছে ৫৫ হাজার টাকা।লাইসেন্স বাবদ সর্বমোট আমি আরিফের কাছে মোট দেড় লক্ষ টাকা দিয়েছি।

‎অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এস এ শাখার সায়েরাত সহকারী মো: আরিফুল ইসলাম বলেন, এগুলো মিথ্যা। আমি কোন টাকা পয়সা গ্রহন করিনি। এখানে কোন টাকা দেওয়ার সুযোগ নাই, টাকা জমা দিতে হয় ব্যাংকে।

‎এ বিষয়ে মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. মানোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

👁️ লাইভ টেক্সট প্রিভিউ
লাইন ১ প্রিভিউ
লাইন ২ প্রিভিউ
কার্ড ব্যাকগ্রাউন্ড
১ম লাইন কালার
২য় লাইন কালার
ফন্ট সাইজ অ্যাডজাস্ট করুন: 52px

⏳ জাদুকরী উপায়ে কার্ডটি ফুল এইচডিতে রেন্ডার হচ্ছে, একটু অপেক্ষা করুন...

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও সংবাদ
ফেসবুকে আমরা