রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কসবায় সাংবাদিক দ্বীন ইসলাম হত্যার খুনিরা ধরাছোঁয়ার বাহিরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলায় হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি কোপের অভিযোগ। ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা রাশেদ চৌধুরী রুবেল পবিএ ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন আতিকুর রহমান আতিক প্রামাণিক ঈদ উপলক্ষে ঘিওরে ৫০০ অসহায় পরিবারের মাঝে এন আর কল্যাণ ট্রাস্টের ঈদ সামগ্রী বিতরণ পয়লা ইউনিয়নের বিশ্বাসপাড়ায় নিখিল বিশ্বাস-এর পরিবার পেল নগদ সহায়তা আশুলিয়ায় জাবির ছাত্রী হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে স্বামী ধামরাই মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহীন আলম গুরুতর অসুস্থ, দোয়া কামনা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলো জননেতা মির্জা আব্বাসকে ধামরাইয়ে অবৈধ ৭ ইটভাটা: প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি এলাকাবাসীর
নোটিশঃ
সারাদেশে সাংবাদিক/সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে..... জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, বিশেষ প্রতিনিধি, স্টাফ রিপোর্টার, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, সিনিয়র রিপোর্টার, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি, জেলা ব্যুরো প্রধান।
নাগরপুরে যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে ভাতিজার স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ
Avatar photo
আপডেট টাইমঃ সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫, ৮:০৯ অপরাহ্ন

সোলায়মান,স্টাফ রির্পোটারঃ

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের কোদালিয়া গ্রামে চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় যুবলীগ নেতা মামুন মিয়ার বিরুদ্ধে তারই ভাতিজা কামরুল হাসানের স্ত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী কামরুল বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত মামুন মিয়া কোদালিয়া গ্রামের মৃত হযরত আলীর ছেলে ও ভাদ্রা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা। এলাকায় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তিনি সাধারণ মানুষকে নানাভাবে হয়রানি করতেন। প্রায় তিন বছর ধরে ভাতিজার স্ত্রীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে আসছিলেন তিনি।

ভুক্তভোগীর স্বামী কামরুল হাসান জানান, তিনি ঢাকায় একটি পুস্তক কারখানায় কাজ করেন এবং বেশিরভাগ সময় বাইরে থাকেন। এ সুযোগে তার চাচা মামুন তার স্ত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন করেছে। বিষয়টি স্ত্রী সম্প্রতি তাকে জানালে তিনি স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ গ্রাম্য নেতৃবৃন্দের কাছে বিচার চান। তবে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে মামুনের পরিবার বা স্থানীয়ভাবে কোনো সমাধান হয়নি।

ভুক্তভোগী গৃহবধূ জানান, “আমি আমার এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে একা থাকি। রাতের অন্ধকারে মামুন জোর করে আমার সাথে সম্পর্ক করে। কাউকে বললে আমাকে বাড়ি ছাড়া করার হুমকি দেয়। আওয়ামী লীগ নেতা হওয়ার কারণে কেউ সাহস করে কিছু বলে না। নিরুপায় হয়ে আমি আমার স্বামীকে সব খুলে বলেছি।”

স্থানীয় ইউপি সদস্য ও এলাকাবাসীরাও অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, বিষয়টি নিয়ে শালিসের চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্তের পরিবার শেষ পর্যন্ত অস্বীকৃতি জানায়।

ঘটনার পর থেকে মামুন মিয়া পলাতক রয়েছে। তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে (০১৭৯৮…৬২৭৯) একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে নাগরপুর থানার এসআই মিলটন জানান, “একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে যাওয়া হয়েছিল। বাদিকে কোর্টে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।”

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও নিন্দার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও সংবাদ
ফেসবুকে আমরা