
আপডেট: শনিবার, ২৭জুন, ২০২৬
পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি | সঞ্জু বনিক সৌরভ
পঞ্চগড়ের সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারতীয় নাগরিক, নাগরিকত্ব, ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং সন্তানদের অভিভাবকত্ব নিয়ে নতুন করে নানা প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত সম্রাটের বাড়ির পাশেই সীমান্ত পিলারের ওপারে অবস্থিত ছিট সাকাতি গ্রামে বর্তমানে আফরোজা সরকার সোনালী বসবাস করছেন। তার দুই কন্যা সন্তানও ভারতের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করছে।
সীমান্তের ওপারের কয়েকজন ভারতীয় নাগরিক জানান, ওই গ্রামের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের মধ্যে অবাধে চলাফেরা করে আসছেন। অনেক শিশু-কিশোর বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও পড়াশোনা করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালে বিয়ের সময় আফরোজা সরকার সোনালী একটি ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে বিয়ের সূত্র ধরে স্বামীর ঠিকানায় তিনি বাংলাদেশের ভোটারও হয়েছেন বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী তহিদুল ইসলাম বলেন, “আমি দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালাই। একের পর এক মামলায় পড়ে একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেছি। আমি এখন এই ঝামেলা থেকে পরিত্রাণ চাই, আমার সন্তানদের ফিরে পেতে চাই। তারা ভারতে থাকলে আমি তাদের দেখতেও পারব না।”
সীমান্ত এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য জমির উদ্দীন বলেন, “ভারতের ওই এলাকার অনেকেই বাংলাদেশের নারায়নপুর মুন্সিপাড়া এলাকার পরিচয় বহন করেন।”
চাকলাহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম বলেন, “ওই গ্রামটি একসময় ছিটমহল ছিল। তখন অনেকেই বাংলাদেশের পরিচয়ে চলাফেরা করতেন। পরবর্তীতে তাদের কেউ কেউ হয়তো নাগরিকত্ব ধরে রেখেছেন। আমি বিষয়টি নিয়ে ভালোভাবে খোঁজ নেব।”
পঞ্চগড় জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান মিলন বলেন, “সীমান্তবর্তী এসব এলাকার নাগরিক পরিচয়, ভোটার তালিকা ও আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে এ ধরনের জটিলতা অনেকাংশে কমে আসবে।”
⏳ জাদুকরী উপায়ে কার্ডটি ফুল এইচডিতে রেন্ডার হচ্ছে, একটু অপেক্ষা করুন...

