রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কসবায় সাংবাদিক দ্বীন ইসলাম হত্যার খুনিরা ধরাছোঁয়ার বাহিরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলায় হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি কোপের অভিযোগ। ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা রাশেদ চৌধুরী রুবেল পবিএ ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন আতিকুর রহমান আতিক প্রামাণিক ঈদ উপলক্ষে ঘিওরে ৫০০ অসহায় পরিবারের মাঝে এন আর কল্যাণ ট্রাস্টের ঈদ সামগ্রী বিতরণ পয়লা ইউনিয়নের বিশ্বাসপাড়ায় নিখিল বিশ্বাস-এর পরিবার পেল নগদ সহায়তা আশুলিয়ায় জাবির ছাত্রী হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে স্বামী ধামরাই মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহীন আলম গুরুতর অসুস্থ, দোয়া কামনা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলো জননেতা মির্জা আব্বাসকে ধামরাইয়ে অবৈধ ৭ ইটভাটা: প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি এলাকাবাসীর
নোটিশঃ
সারাদেশে সাংবাদিক/সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে..... জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, বিশেষ প্রতিনিধি, স্টাফ রিপোর্টার, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, সিনিয়র রিপোর্টার, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি, জেলা ব্যুরো প্রধান।
ইভ্যালির লকার কেটে যা পাওয়া গেল
Avatar photo
আপডেট টাইমঃ সোমবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২২, ১১:৫০ অপরাহ্ন

আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির দু’টি লকারের পাসওয়ার্ড না পাওয়ায় সেগুলো ভাঙা হয়েছে। সোমবার (৩১ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর ধানমন্ডিকে ইভ্যালির অফিসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে লকার দুটি ভাঙা হয়।

লকারটি ভাঙার আগে আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, গত ২৩ নভেম্বর কারাগারে থাকা ইভ্যালির মো. রাসেল ও তার স্ত্রী নাসরিনকে ধানমন্ডি কার্যালয়ে লকারগুলোর কম্বিনেশন নম্বর (পাসওয়ার্ড) দেওয়ার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশিত ইভ্যালির নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের প্রতিনিধিকে তাড়াতাড়ি তাদের সঙ্গে দেখা করার ব্যবস্থা করতেও আইজি প্রিজনকে নির্দেশ দেন।
তিনি বলেন, পরবর্তী সময়ে কোর্টের ওই আদেশের পরও লকার দুটির পাসওয়ার্ড পাইনি কমিটি। যে কারণে লকার ভাঙার সিদ্ধান্ত হয়। তার পরিপ্রেক্ষিতে আজ সোমবার (৩১ জানুয়ারি) বিকালে লকার দুটি কাটা হচ্ছে।

পরে মেশিন দিয়ে কেটে লকার দুটির একটিতে দুটি ব্যাংকের চেক বই এবং কিছু কাগজপত্র পাওয়া গেছে। এরমধ্যে মিডল্যান্ড ব্যাংকের ৯৭টি এবং সিটি ব্যাংকের ১০টি চেক বই এবং বেশ কয়েকটি কাগজ ছিল।
আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন মানিক এই তথ্য নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে একটি লকার ভেঙে বেশকিছু চেক বই পেয়েছি। তবে আমরা হতাশ, কারণ এসব চেক বইয়ের এখন আর কোনও ভ্যালিডিটি নেই। আরও একটি লকার কাটা হবে, পরে জানা যাবে ওই লকারে কী আছে।’

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও সংবাদ
ফেসবুকে আমরা