
স্টাফ রিপোর্টার: মোঃ বাবু শেখ:
ঢাকার সাভারের নবীনগর জাতীয় স্মৃতিসৌধ সংলগ্ন একটি বসতভিটা উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে বুধবার নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। নিম্ন আদালতের (জজ কোর্ট) রায়ের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু হলেও প্রায় তিন ঘণ্টা পর উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ পৌঁছালে অভিযান বন্ধ করে দেওয়া হয়।
মামলা-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিরোধপূর্ণ ওই সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আদালতে মামলা চলছিল। জজ কোর্টের রায় কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, উচ্ছেদ অভিযান শুরুর সময় সম্পত্তির মালিকপক্ষ হাজী আব্দুর রহমান ও মিসেস রিনা রহমানের প্রতিনিধিরা উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ চেয়ে কিছু সময়ের আবেদন জানান। তবে আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা জানান, নিম্ন আদালতের আদেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সময় দেওয়ার সুযোগ ছিল না।
এরপর মালিকপক্ষ দ্রুত উচ্চ আদালতে আপিল করেন। আপিল দায়েরের প্রায় তিন ঘণ্টা পর উচ্চ আদালত উচ্ছেদ কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। আদালতের নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর পরপরই চলমান উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ করে দেওয়া হয়।
মামলা-সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, বিরোধপূর্ণ সম্পত্তির মালিক হিসেবে হাজী আব্দুর রহমান ও মিসেস রিনা রহমানের নাম রয়েছে। অপরদিকে, মামলায় দখলকারী হিসেবে গোলাম মোস্তফার নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের ফলে আপাতত উচ্ছেদ কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সম্পত্তিটির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত রয়ে গেছে। ঘটনাটি এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে সংবাদে যুক্ত করা হবে।
⏳ জাদুকরী উপায়ে কার্ডটি ফুল এইচডিতে রেন্ডার হচ্ছে, একটু অপেক্ষা করুন...

