রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৫:১১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কসবায় সাংবাদিক দ্বীন ইসলাম হত্যার খুনিরা ধরাছোঁয়ার বাহিরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলায় হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি কোপের অভিযোগ। ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা রাশেদ চৌধুরী রুবেল পবিএ ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন আতিকুর রহমান আতিক প্রামাণিক ঈদ উপলক্ষে ঘিওরে ৫০০ অসহায় পরিবারের মাঝে এন আর কল্যাণ ট্রাস্টের ঈদ সামগ্রী বিতরণ পয়লা ইউনিয়নের বিশ্বাসপাড়ায় নিখিল বিশ্বাস-এর পরিবার পেল নগদ সহায়তা আশুলিয়ায় জাবির ছাত্রী হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে স্বামী ধামরাই মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহীন আলম গুরুতর অসুস্থ, দোয়া কামনা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলো জননেতা মির্জা আব্বাসকে ধামরাইয়ে অবৈধ ৭ ইটভাটা: প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি এলাকাবাসীর
নোটিশঃ
সারাদেশে সাংবাদিক/সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে..... জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, বিশেষ প্রতিনিধি, স্টাফ রিপোর্টার, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, সিনিয়র রিপোর্টার, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি, জেলা ব্যুরো প্রধান।
মানিকগঞ্জে বালু মহালের রমরমা লাইসেন্স বাণিজ্য মো:আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে
Avatar photo
আপডেট টাইমঃ মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫, ১১:১৩ পূর্বাহ্ন

নান্নু মিয়া,স্টাফ রির্পোটারঃ

‎মানিকগঞ্জে বালু মহাল ইজারার লাইসেন্স বাবদ সরকারি ফি ৫ হাজার টাকার পরিবর্তে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এস এ শাখার সায়েরাত সহকারী মো:আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

‎অনুসন্ধানে জানা যায়,আরিফের মাধ্যমে লাইসেন্স নিতে হলে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে হয় এবং সরকারি ফি এর বাহিরে ডিসি অফিসের এল আর ফান্ডেও টাকা প্রদান করতে হয়। কেউ অস্বীকৃতি  জানালে তার লাইসেন্স ঝুলে থাকে,তা কখনো আলোর মুখ দেখে না। টাকা দিলে ৩ দিনেও লাইসেন্স মেলে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে। বালু মহাল ইজারার লাইসেন্স এর সরকারি ফি সব মিলিয়ে ৫ হাজার ৫০০ টাকা।তবে লাইসেন্সের আলোর মুখ দেখতে হলে  ৫ হাজারের পরিবর্তে গুনতে হয় ১ লক্ষ থেকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত ফি।

‎বালুমহালের লাইসেন্স প্রাপ্ত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানায়, ডিসি অফিসের আরিফের মাধ্যমে দেড় লাখ টাকা দিয়ে লাইসেন্স করেছি।টাইম ছিলো না, বৃহস্পতিবার টাকা জমা দিয়েছি রবিবারই লাইসেন্স করে দিয়েছে।আমি নিজে গুনে আরিফের কাছে টাকা দিছি।আরিফের না করার মত ক্ষমতা নাই। এখান থেকে এল আর ফান্ডে গিয়েছে ৫৫ হাজার টাকা।লাইসেন্স বাবদ সর্বমোট আমি আরিফের কাছে মোট দেড় লক্ষ টাকা দিয়েছি।

‎অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এস এ শাখার সায়েরাত সহকারী মো: আরিফুল ইসলাম বলেন, এগুলো মিথ্যা। আমি কোন টাকা পয়সা গ্রহন করিনি। এখানে কোন টাকা দেওয়ার সুযোগ নাই, টাকা জমা দিতে হয় ব্যাংকে।

‎এ বিষয়ে মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. মানোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও সংবাদ
ফেসবুকে আমরা