শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৫:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ, নগদ অর্থ ও ঈদ উপহার বিতরণ এতিমের টাকা আত্মসাৎ এর খবর মিথ্যে ও বানোয়াট ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী ওয়াসিম মিয়া। ঘিওরে মাদক ও ইভটিজিং বিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। শিরোনাম: বাগেরহাটে শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবক দলের দোয়া ও খাবার বিতরণ আসন্ন দৌলতপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান প্রত্যাশী (মোঃ সাইদুর রহমান ) ৬ নং চক মিরপুর ইউনিয়নবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ও জনগণের দোয়া চেয়েছেন মোঃমিলন হোসেন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রত্যাশী (মোঃ শামীম রেজা শামীম ) ৬ নং চক মিরপুর ইউনিয়নবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন মোঃ সাইফুল ইসলাম ৬ নং চক মিরপুর ইউনিয়নবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন মাহফুজুর রহমান খান সোহেল গভীর রাতে র‍্যাব ক্যাম্পে হামলা, বুলডোজারে গুঁড়িয়ে অবকাঠামো
নোটিশঃ
সারাদেশে সাংবাদিক/সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে..... জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, বিশেষ প্রতিনিধি, স্টাফ রিপোর্টার, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, সিনিয়র রিপোর্টার, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি, জেলা ব্যুরো প্রধান।
এতিমের টাকা আত্মসাৎ এর খবর মিথ্যে ও বানোয়াট ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী ওয়াসিম মিয়া।
/ ২২ বার
আপডেট টাইমঃ বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ন

 

 

মোঃ জুয়েল মিয়া মানিকগঞ্জ

 

৪ জুন ২০২৬

 

মানিকগঞ্জের  ঘিওর প্রেসক্লাবে  সংবাদ সম্মেলন করে তার বিরুদ্ধে  প্রকাশিত সংবাদ কে মিথ্যে ও বানোয়াট ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন

 

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার আটিগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক ওয়াসিম মিয়া।

 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে ওয়াসিম মিয়া বলেন, গত ৩ জুন কয়েকটি দৈনিক পত্রিকা ও অনলাইন গণমাধ্যমে ‘মানিকগঞ্জের ভুয়া অ্যাডভোকেট পরিচয়ে এতিমের ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই সংবাদে তাঁর বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ আনা হয়েছে, তার কোনো সত্যতা নেই। তিনি কোনো ভুয়া অ্যাডভোকেট নন এবং কোনো অর্থ আত্মসাতের সাথেও জড়িত নন। মূলত পারিবারিক সম্পত্তি ও ব্যাংক হিসাবসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই মিথ্যা কাহিনী সাজানো হয়েছে।

 

তিনি ঘটনার বিবরণ দিয়ে জানান, তাঁর ফুফু রাজিয়া বেগম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি বিভাগের অফিস সহায়ক ছিলেন। স্বামী ও একমাত্র ছেলের মৃত্যুর পর তিনি একাকী হয়ে পড়লে ওয়াসিম মিয়ার পরিবারের তত্ত্বাবধানেই বসবাস করতেন। জীবদ্দশায় ফুফুর দেখভাল ও সেবার কারণে তিনি ওয়াসিম মিয়াকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন এবং তাঁর নিজের ব্যাংক হিসাবের নমিনি করে যান।

 

ওয়াসিম মিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী, রাজিয়া বেগম মৃত্যুর আগে তাঁর নাতি টিপু রহমানের নামে ১৮ লাখ টাকার একটি ফিক্সড ডিপোজিট (এফডিআর) করে দিয়ে যান। অন্যদিকে, নিজের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে থাকা প্রায় ১৯ লাখ ৫ হাজার টাকার জন্য ওয়াসিম মিয়াকে আইনগতভাবে নমিনি হিসেবে মনোনীত করেন।

 

তিনি অভিযোগ করে বলেন, রাজিয়া বেগমের মৃত্যুর পর ওই অর্থের দাবিকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধের সৃষ্টি হয়। এরই জেরে একটি পক্ষ তাঁকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন এবং তাঁর চাকরি ক্ষেত্রের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে গণমাধ্যমে এমন বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক তথ্য সরবরাহ করেছে।

 

সংবাদ সম্মেলনে ওয়াসিম মিয়া প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একই সাথে সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোকে ঘটনার সঠিক সত্যতা ও তথ্য যাচাই করার আহ্বান জানান।

 

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই ধরণের মিথ্যা সংবাদের কারণে তিনি সামাজিক, পারিবারিক ও মানসিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও সংবাদ
ফেসবুকে আমরা